পুষ্টি ক্যালকুলেটর
ঘামের হার ক্যালকুলেটর
সেশনের আগে ও পরে ওজন নিন এবং দেখুন ঘণ্টায় আসলে কতটা তরল হারাচ্ছেন—আর ট্রেনিংয়ের সময় ও পরে কতটা পান করা দরকার। বিনামূল্যে, তাৎক্ষণিক, সাইন-আপ নেই।
গরম ও তীব্রতার সঙ্গে ঘামের হার বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে কোচও পরিকল্পনা বদলায়।
অ্যাথলিটের ঘাম পরীক্ষা
এটি ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের ব্যবহার করা প্রোটোকল, সাধারণ দৈনিক পানির নির্দেশিকা নয়। ট্রেনিংয়ের ঠিক আগে খালি গায়ে বা শুকনো পোশাকে ওজন নিন, আর ঠিক পরে গা মুছে আবার নিন। মাঝে যত মিলিলিটার পান করেছেন সব হিসাব রাখুন। যে ওজনটি কম পড়েছে সেটিই তরল, আর তার সঙ্গে পান করা তরল যোগ করলে মোট কতটা ঘেমেছেন তা পাওয়া যায়।
এই ক্যালকুলেটর কীভাবে কাজ করে
ঘামে হারানো তরল = (আগের ওজন − পরের ওজন) + পান করা তরল, এক লিটার ঘামকে এক কিলোগ্রাম ধরে। ঘণ্টায় সেশনের দৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করলেই প্রতি ঘণ্টায় লিটারে ঘামের হার। শরীরের ভর কমার শতাংশও দেখাই, কারণ প্রচলিত নির্দেশনা হলো সেটি ২%-এর নিচে রাখা—তার বেশি হলে পারফরম্যান্স ও শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা শুরু হয়।
যা হারিয়েছেন তা পূরণ করা
একই ধরনের সেশনে মোটামুটি আপনার ঘামের হারেই পান করুন, একবারে নয়—পুরো ঘণ্টাজুড়ে ভাগ করে। পরে প্রচলিত পরামর্শ হলো, যত কিলোগ্রাম কমেছেন তার প্রতিটির জন্য পরের কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১.৫ লিটার, কারণ এর কিছুটা প্রস্রাব হয়ে বেরিয়ে যায়। ঘামের সোডিয়াম ব্যক্তিভেদে অনেক আলাদা—প্রতি লিটারে প্রায় ৫০০ থেকে ২,০০০ mg—তাই এখানকার সোডিয়ামের সংখ্যাটি মোটামুটি মাত্রার ইঙ্গিত, কোনো নির্দেশ নয়। ভিন্ন আবহাওয়ায় আবার পরীক্ষা করুন: ঘামের হার সারা বছরের জন্য একটি সংখ্যা নয়।